গ্রেফতারকৃতরা হলো- ভালুকার ভরাডোবা এলাকার খোরশেদ হোসেন জুয়েল, সুমন মিয়া, আব্দুস সামাদ, ত্রিশালের গোপালপুরের আবু রায়হান, গুজিয়াম গ্রামের এনামুল হক প্রভাত ও অলহরি গ্রামের সোহাগ আলী।
শনিবার বিকেলে জেলা ডিবি পুলিশের ওসি মো. সফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে, শুক্রবার ময়মনসিংহ ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঐ ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
ওসি সফিকুল জানান, ৩০ মে রাত সোয়া ২টার দিকে ভরাডোবা-উথুরা সড়কে একদল ডাকাত দুটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেটকারে এসে ৭৫ হাজার মুরগির ডিম বহনকারী একটি পিকআপের পথরোধ করে। ঐ সময় পিকআপ চালক মমিন, সহযোগী সুমন মিয়া ও ম্যানজার সবুজকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা পিকআপটি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে ডিমগুলো লুট করে। এ ঘটনায় পরদিন ভালুকা মডেল থানায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় ডিবি পুলিশের ওপর। তদন্তের ধারাবাহিতায় শুক্রবার গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঐ ছয় ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, লুট করা ডিমের পিকআপ ও ১ লাখ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, ঘটনার আগের দিন আসামিরা ভালুকার ভরাডোবা বাজারে এক হয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। পরিকল্পিতভাবে প্রাইভেটকার ভাড়া করে ও মোটরসাইকেল নিয়ে এ ঘটনা ঘটায়। পরবর্তীতে লুট করা ৭৫ হাজার ডিম থেকে ৩৭ হাজার ডিম গাজীপুরের চৌরাস্তা কাঁচাবাজারে বিক্রি করে। অবশিষ্ট ডিম উদ্ধার ও জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।