আটককৃতব্যক্তির নাম মো. জাফরান হাওলাদার। তিনি পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
জাফরানকে প্রতারক হিসেবে শনাক্ত করেন জেনারেল হাসপাতালের মোড়ে অবস্থিত বিকাশ এজেন্ট এস এম রাজিব এন্টার প্রাইজের মালিক ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ঝাউখালি গ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল তালুকদার।
.png)
রাসেল তালুকদার জানান, জাফরান হাওলাদার সোমবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে তার (রাসেলের) দোকানে ৭ হাজার ৫০০ টাকা বিকাশ করতে আসেন। তিনি একটি বাটন মুঠোফোন তার হাতে দিয়ে ওই টাকা বিকাশ করতে বলেন। দোকানদার মুঠোফোনের নম্বরে টাকাটা বিকাশ করেন।
বিকাশের ব্যালেন্স চেক করার কথা বলে জাফরান মুহূর্তের মধ্যে ওই মুঠোফোনটি রেখে একই মডেলের আরেকটি মুঠোফোন বের করে রাসেলকে জানান টাকা তার বিকাশ হিসেবে ঢোকেনি। পরে রাসেল ওই মুঠোফোনটি হাতে নিয়ে দেখতে পান দুটি মুঠোফোন একই মডেলের হলেও নম্বর ভিন্ন। তখন তিনি জাফরানকে এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
পরে রাসেল জাফরানের ছবি তুলে বিকাশ এজেন্টদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মেসেঞ্জার গ্রুপে দিয়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যে শহরের টেপাখোলার ভাই ভাই ইলেক্ট্রনিক্স দোকানের মালিক সাইফুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মো. জাফরান হাওলাদারকে শনাক্ত করে বলেন, ওই ব্যক্তি (জাফরান) কিছুক্ষণ আগে তার কাছ থেকে একই প্রক্রিয়ায় ৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে জাফরান হাওলাদার ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, প্রতারণার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।