দণ্ডপ্রাপ্ত নাসির ব্যাপারী বর্তমানে পলাতক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২ এপ্রিল লিটন তাইয়ানি ছেলেকে চিকিৎসা করানোর জন্য মাদারীপুর সদরের চর কুলপদ্বি থেকে চৌধুরী ক্লিনিকে যাওয়ার পথে উপজেলা পরিষদের সামনের রাস্তায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মজনু ব্যাপারী, মান্নান ব্যাপারী, সজীব ব্যাপারী, ইব্রাহিম মীরা, হাবুল মীরা, ফারুক মীরা, নাসির ব্যাপারী, সুমন ব্যাপারী ও সোহেল খান।
.png)
ঐ ঘটনায় লিটন তাইয়ানির ভাই মিজান তাইয়ানি বাদী হয়ে পরদিন ৯ জনকে আসামি করে মাদারীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ৬ জুলাই নাসির ব্যাপারী, সুমন ব্যাপারীকে অভিযুক্ত এবং বাকি ৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চার্জশিট দাখিল করেন। বাদী মিজান তাইয়ানি ঐ চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করলে আদালত সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ দেয়।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, লিটন তাইয়ানি হত্যা মামলা ১১ বছর বিচারাধীন ছিল। নিহতের ভাগনে নাসির ব্যাপারীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়ার মাধ্যমে বিচারক এ মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। মামলার বাকি ৮ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।