নিহত নয়ন তারা একই এলাকার স্কুল পাড়ার কৃষক মতিন শেখের স্ত্রী। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসাপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে ছেলে লালন ও তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল নয়ন তারার। অভিমানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজবাড়ি থেকে বের হন। পরে দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ি রেলওয়ে সড়কের কুমারখালীর কালুমোড় এলাকায় চলন্ত ট্রেনের সামনে রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়ে। এতে তার শরীর দ্বিখণ্ড হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
.png)
নিহতের প্রতিবেশীরা বলেন, কয়েকদিন ধরে তাদের বাড়িতে পারিবারিক কলহ চলছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মায়ের বাড়ি যাওয়ার কথা বলে নয়ন তারা বের হন। পরে তার মৃত্যুর খবর শোনা গেছে। হয়তো আত্মহত্যা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলে লালন কথা বলতে রাজি হননি।
নিহতের ভাই আব্দুর রাজ্জাক বলেন, লালন ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কয়েকদিন ধরে ঝগড়া চলছিল মায়ের। এ নিয়েই হয়তো অভিমানে ট্রেনের সামনে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে মা।
পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ওসি মো. মনজের আলী বলেন, খবর পেয়ে এক নারীর দ্বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।