ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ের ছয় মাসের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল মেহার মরদেহ

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: ১৮:৫৪, ১৯ জুন ২০২২
বিয়ের ছয় মাসের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল মেহার মরদেহ
ফাইল ফটো

বগুড়ার আদমদীঘিতে বিয়ের ছয় মাসের মাথায় সাদিয়া আক্তার মেহা (১৭) নামের এক কিশোরী নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে উপজেলার সান্তাহার ইউপির ছাতনি মৃধাপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে মেহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মেহা ছাতনি গ্রামের টিটু হোসেনের মেয়ে ও একই গ্রামের মৃধাপাড়ার শ্যামল হোসেনের স্ত্রী।

Advertisement

এদিকে, যৌতুক না পেয়ে মেয়েকে কৌশলে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন মেহার বাবা টিটু হোসেন।

তিনি জানান, সাদিয়া আক্তার মেহা তার দ্বিতীয় মেয়ে। ছয় মাস আগে মেহার সঙ্গে একই গ্রামের মৃধাপাড়ার আলাউদ্দিনের ছেলে শ্যামল হেসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ও পরে দাবির প্রেক্ষিতে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়া হলেও অবশিষ্ট গহনা বাকি ছিল। গহনা দাবি করে মেয়েকে বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতন করা হতো। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মোবাইলে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ের স্বামীর পৌঁছান তিনি। সেখানে টিটু হোসেন দেখেন যে, ঘরের দ্বিতীয় তলার শয়নকক্ষে বাঁশের তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচানো মেহার মরদেহ ঝুলছে।

টিটু হোসেন জানান, তিনি নিজে মেয়ের মরদেহ নামিয়েছেন।

টিটু হোসেন দাবি করেন, তার মেয়েকে যৌতুকের কারণেই কৌশলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 

অন্যদিকে, নিহত মেহার শাশুড়ি শিল্পী বেগম জানান, যৌতুকের জন্য ছেলের বউ কোনো চাপ দেওয়া হয়নি। 

আদমদীঘি থানার এসআই আবু হাসান জানান, মেহার মরদেহ উদ্ধারের পর  থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মেহার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকেএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!