গ্রেফতারকৃত সাহাবুল ইসলাম সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি ব্যাটারিচালিত আটোবাইক চালক। মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ রোববার সকালের দিকে তাকে গ্রেফতার দেখান।
সাহাবুল ইসলাম একই উপজেলার বন্দর গ্রামের ১৩ বছর বয়সী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ২৫ মে পালিয়ে যান।
.png)
এ ঘটনায় ঐ শিশুর মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মেহেরপুর সদর থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামি হলেন সাহাবুল ইসলামের ছোট বোন একই গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী স্বপ্না খাতুন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাবীব জানান, মামলা হওয়ার পর আসামির মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে মেহেরপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার ও অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সাহাবুল ইসলামকে রোববার দুপুরের দিকে আদালতের মাধ্যমে মেহেরপুর জেলহাজতে ও অপহৃতকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।
এর আগেও সাহাবুল আরেকটি মেয়েকে নিয়ে পালিয়েছিল।
সাহাবুল ইসলামের বাবা আহাদ আলীকে বলেন, আমার ছেলে পরকীয়া প্রেম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে সদর থানা পুলিশ তাদের হাজির করে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। গত শনিবার (২৫ জুন) ঢাকা থেকে তাদের দু’জনকে এনে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।