গ্রেফতারকৃত রুকেল মিয়া ঐ উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের গাবরতলা গ্রামের ভিক্ষু মিয়ার ছেলে।
২০২১ সালের ১১ অক্টোবর সকালে একই উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী গ্রামে নিজ ঘর থেকে হিমা আক্তার ও তার স্বামী নান্দু মীরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
.png)
জানা গেছে, ২০ বছর আগে হিমা আক্তারকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন নান্দু মীর। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৭ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৫ বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের পর রুকেল মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন হিমা আক্তার। বিষয়টি জানার পর স্বামী নান্দু মীরের সঙ্গে তার কলহ সৃষ্টি হয়। দুই পরিবারের লোকজন কয়েকবার বৈঠক করে বিষয়টির মীমাংসা করেন। এরপরও পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যান হিমা। এ ক্ষোভে স্ত্রীকে রেখে নিজ বাড়িতে চলে যান নান্দু মীর। পরে ১০ অক্টোবর আবার ফিরে এসে রাতেই নিজের বসতঘরে স্ত্রীকে খুনের পর নিজে আত্মহত্যা করেন।
ঐ ঘটনায় নিহত হিমা আক্তারের ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এছাড়া নান্দু মীরের আত্মহত্যার ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়। পুলিশের ৮ মাসের দীর্ঘ তদন্তে ঘটনার নেপথ্যে পরকীয়া প্রেমিক রুকেল মিয়ার নাম প্রকাশ পায়। বুধবার রাতে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে রুকেল মিয়ার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করে পুলিশ। ঐ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়।
মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।