পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে চঞ্চলকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
নিহতের বাবা কার্তিক দাস অভিযোগ করে বলেন, পাড়ার একজনের সঙ্গে নারী নির্যাতনের মামলা চলছিল। এরই জেরে ছেলে খুন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
.png)
কেশবপুর থানার ওসি বোরহান উদ্দীন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।