মধুপুর থানার ওসি (তদন্ত) মুরাদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত শেফালি বেগম ওই গ্রামের গোলাপ হোসেনের স্ত্রী।
ওসি জানান, গোলাপ হোসেনের দুই স্ত্রী। পারিবারিক কলহের জের ধরে গত এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেন গোপাল হোসেন। পরে স্থানীয় লোকজন শালিসী বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় প্রথম স্ত্রীর সব পাওনা পরিশোধ করতে। এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রী একটি ঘর বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়। ঘরটি পাঁচ হাজার টাকা দাম করে দ্বিতীয় স্ত্রী রেখে দিতে চাইলেও তাতে দ্বিমত পোষণ করেন। এক পর্যায়ে সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দুই সতিনের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রীকে দেখে নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন দ্বিতীয় স্ত্রী। এরপর প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তান বাড়ি থেকে গিয়ে এক প্রতিবেশির বাড়িতে রাত্রীযাপন করেন।
.png)
মঙ্গলবার সকালে প্রথম স্ত্রীর সন্তান তার বাবাকে বাড়িতে ডাকতে গেলে দ্বিতীয় স্ত্রী ক্ষতবিক্ষত লাশের পাশে গোলাপ হোসেনকে দেখতে পায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে যায়।
গোলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবলু জানান, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিকভাবে দাফন করা হবে।
মধুপুর থানার ওসি (তদন্ত) মুরাদ হাসান জানান, আমরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত মরদেহটি উদ্ধার করেছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় স্বামী সতিনসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।