ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে চড়ে কনের বাড়িতে বর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:২৪, ২ জুলাই ২০২২
বিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে চড়ে কনের বাড়িতে বর
বর-কনেকে দেখতে ভিড়। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শখ পূরণে কত কিছুই না করে মানুষ। সবাই চায় তার বিয়েটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। তেমনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা হেলিকপ্টারে করে গেলেন কনে আনতে। এ সময় শত শত লোক ভিড় জমান। 

উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে ছিল পুলিশও। বিয়ের বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রিদওয়ান আনসারি রিমো। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার এ.আর আনসারি বাবরো ও রোকসানা আনসারি পপির ছোট ছেলে। শুক্রবার দুপুরে জেলা শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বোর্ডিং এর মাঠ থেকে তিনি হেলিকপ্টারে যাত্রা শুরু করে সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউপির সুহিলপুর বাজার মাঠে বরের হেলিকপ্টার অবতরণ করে। কনে তামান্না খানম চাঁদনী জেলার সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউপির সুহিলপুর গ্রামের আক্তার খাঁনের মেয়ে। 

Advertisement

বর ও কনে উভয়ের বাড়ি একই উপজেলায় হওয়ায় এ ঘটনায় আজ সাড়া পড়ে গিয়েছে। সুহিলপুর গ্রামের কনের বাড়িতেই এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে এই বিয়ে সম্পন্নের পর বর রিদওয়ান আনসারি রিমো হেলিকপ্টারে চড়ে কনে নিয়ে জেলা শহরের বোর্ডিং এর মাঠে অবতরণ করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এদিকে সুহিলপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।

বরের বড় ভাই রাইয়ান আনসারি রিকি জানান, তারা দুই ভাই, কোনো বোন নেই। রিদওয়ান আনসারি রিমো সবার ছোট। তাই আদরের ছোট ভাইয়ের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রা ও কনে নিয়ে আসার আয়োজন করা হয়। ঢাকা থেকে ভাড়া করে হেলিকপ্টার আনা হয়। তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে নেমে কনের বাড়ি পর্যন্ত বর ঘোড়ার গাড়িতে গিয়েছি। আবার ঘোড়ার গাড়িতেই করেই হেলিকপ্টার পর্যন্ত এসেছে। আমাদের ব্যক্তিগত প্রাডো গাড়িও ছিল। ছোট ভাইয়ের খুব ইচ্ছে ছিল বিয়ের দিন কনের বাড়িতে হেলিকপ্টারে যাবে। সেই আশায় পূরণ করেছি।

সুহিলপুর ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ভূইয়া বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনে গ্রামের উৎসুক লোকজন হেলিকপ্টার ও বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান। গ্রামবাসীর মধ্যে এ সময় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল বলে স্থানীয় বিভিন্ন জন জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় বিয়েতে যেতে পারিনি। তবে বিষয়টি শুনেছি।

সদর থানার এসআই মো. ইব্রাহীম বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। বিষয়টি দেখতে কৌতুহলী ও উৎসুক মানুষ সুহিলপুর বাজার মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!