এতে বলারদিয়ার, মূলবাড়ি, সাতপোয়া, সাঞ্চারপাড়, পঞ্চপীর, পাখাডুবি, বনগ্রাম, বালিয়া, বাউসি, হোসনাবাদ, পাটাবুগা, পুঠিয়ারপাড় ও বগারপাড় গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
প্রতি বছর সরিষাবাড়ী পৌরসভার বলারদিয়ার এলাকার আজিম উদ্দিন মাস্টারবাড়ি জামে মসজিদ মাঠে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ১৫ থেকে ১৬ গ্রামের মানুষ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ হয়। বলারদিয়ার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আজিম উদ্দিন ইমামতি করেন।
.png)
ঈদের নামাজে আসা ফজলু মিয়া বলেন, ১৯৮৬ সালে মিশরের কায়রোতে প্রায় সব মুসলিম দেশের ওলামা-আলেম একত্র হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—যে দেশেই আগে ঈদের চাঁদ দেখা যাক না কেন, তারা সৌদি আরবকে অবগত করবে। তারপর সব মুসলিম দেশেই একযোগে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মূলত তখন থেকেই আমরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।
জামাতের অপর মুসল্লি হারুন মিয়া জানান, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০০৬ সাল থেকে প্রায় ১৫ থেকে ১৬টি গ্রামের কিছু লোক ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন।
ইসমাইল জানান, ধর্মীয় বিষয়ে সবকিছুই যখন সৌদি আরবের অনুকরণ হয় ঈদ করলে দোষের কী?