ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

রোহিঙ্গাদের আনাগোনায় হুমকিতে পর্যটন

এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ১২ জুলাই ২০২২
রোহিঙ্গাদের আনাগোনায় হুমকিতে পর্যটন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে আটককৃত রোহিঙ্গাদের তোলা হচ্ছে পুলিশের ভ্যানে- ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে রোহিঙ্গাদের আনাগোনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে রোহিঙ্গাদের বিচরণ পর্যটন ব্যবসায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কারণে টেকনাফ ও এর আশপাশে প্রায়ই ঘটছে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড। সমুদ্র সৈকতে এভাবে রোহিঙ্গাদের আনাগোনা চলতে থাকলে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

ঈদুল আজহার পরের দুইদিনে সমুদ্র সৈকতে আগের চেয়ে রোহিঙ্গাদের আনাগোনা বেড়েছে কয়েকগুণ বেশি। ঈদুল ফিতরের সময়েও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তখন পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছিল।

Advertisement

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মনিরুল গিয়াস বলেন, শহরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১১ জুলাই) কলাতলী পয়েন্ট থেকে শতাধিক রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কিন্তু কক্সবাজারের আঞ্চলিক ভাষার সঙ্গে তাদের ভাষার মিল থাকায় রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করা কঠিন।

কক্সবাজার-কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ রোড হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোখিম খান বলেন, পর্যটন এলাকাগুলোতে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাফেরা রয়েছে। সৈকতে ভাসমান ব্যবসা রোহিঙ্গাদের দখলে চলে যাচ্ছে। তাদের খারাপ ব্যবহার, অশালীন আচরণ ও অনিয়মের কারণে পর্যটকরা বিরক্ত। রোহিঙ্গাদের বিচরণ বন্ধে সঠিক পদক্ষেপ না নিলে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পর্যটন ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এসপি তারিকুল  ইসলাম বলেন, আমরা রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছেড়ে পালানোর সংখ্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এনেছি। শুধু রোহিঙ্গা ক্যাম্প নয়, ক্যাম্পের বাইরেও আমাদের তিনটি চেকপোস্ট রয়েছে। এসব চেকপোস্ট দিয়ে রোহিঙ্গাদের পারাপার ঠেকাতে আমরা সতর্ক আছি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!