স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসা করে প্রচুর টাকার মালিক হয়েছে রোহিঙ্গারা। তারাই এখন পশুর হাটগুলোতে রাজত্ব করছে। পশু কেনাবেচায় তাদের সঙ্গে কুলিয়ে উঠছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় পশু বিক্রেতারা বলেন, এবারই প্রথম রোহিঙ্গাদের চাহিদা মাথায় রেখে ক্যাম্প পার্শবর্তী এলাকায় এতগুলো হাট বসানো হয়েছে। মিয়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও ছাগল আসা বন্ধ। রোহিঙ্গারা কোরবানির পশুর বাজারে বেশি দাম দিয়ে পশু কেনায় তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না স্থানীয়রা।
.png)
উখিয়ার মরিচ্যার গরু ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দীন ও মো. নুরুল আলম বলেন, গর্জনিয়া থেকে মাঝারি আকারের ১৯ গরু ৪টি মহিষ নিয়ে উখিয়ার বালুখালী বাজারে এসেছিলাম। সবগুলো গরু ও মহিষ রোহিঙ্গারা কিনে নিয়ে গেছে।
নুরুল মোস্তফা, রবিউল আলম ও আবদুল কায়ুম নামে মহিষ বিক্রেতা বলেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালী থেকে ৭টি মহিষ এনেছিলাম। বালুখালী ক্যাম্পের রোহিঙ্গারা ৫টিই কিনে নিয়ে গেছে।
উখিয়া বাজারের ইজারাদার সরওয়ার কামাল জানান, কোরবানির বাজারে বিক্রি জমে উঠেছে। এবার বেশির ভাগ ক্রেতা রোহিঙ্গা।
উখিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোসলেম উদ্দীন জানান, রোহিঙ্গারা এখন প্রচুর টাকার মালিক। ক্যাম্পে ইয়াবার ব্যবসা করে অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছে তারা। এছাড়া অধিকাংশ রোহিঙ্গা বিলাসী জীবন যাপন করছে।
উখিয়ার রত্মাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা বলেন, গরু কিনতে বা নানা অজুহাতে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের বাইরে আসা দেশের জন্য মোটেও শুভকর নয়।