মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকা থেকে বৈশাখীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে নিহত শিশুর দুই চাচাতো বোনকে জীবিত উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
তারা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে বৈশাখী আক্তার, সুমাইয়া আক্তার ও মারজিয়া আক্তার তিন চাচাতো বোন শহরের পলতাকান্দা মেঘনা নদীর পাশে বিলের পানিতে গোসল করতে নামে। এ সময় তীব্র স্রোতে তিনজনই ডুবে যায়। স্থানীয় লোকজন সুমাইয়া আক্তার ও মারজিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করলেও বৈশাখী আক্তার পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল শিশুটির লাশ উদ্ধার করে।
.png)
শিশুটির বাবা জাকির মিয়া জানান, সোমবার তার শিশু কন্যা বৈশাখী ও তার ভাতিজি সুমাইয়া আক্তার ও মারজিয়া আক্তারসহ তিনজন তার পরিবারের সঙ্গে নরসিংদীর রায়পুরার মনোরাবাদ খামার থেকে ভৈরবে পলতাকান্দা তার ভাগিনার বাড়িতে বেড়াতে আসে। আজ দুপরে তিনজনই গোসলে নেমে নিখোঁজ হয়। এরমধ্যে দুই ভাতিজিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও তার মেয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। বৈশাখী তার এলাকার একটি স্কুলের তৃতীয় শ্রেণি শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আজিজুল হক রাজন জানান, দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।