ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মেহেরপুরের বিনোদনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের পদচারণায় মুখর

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৪৬, ১৪ জুলাই ২০২২
মেহেরপুরের বিনোদনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের পদচারণায় মুখর
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে মেহেরপুরের বিনোদনকেন্দ্রগুলো পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। সকাল থেকেই বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে হাজারো নারী-পুরুষের ভিড় জমছে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর, আমঝুপি কুঠিবাড়ি, ভাটপাড়া কুঠিবাড়ি (বর্তমান ডিসি ইকোপার্ক) ছাড়াও জেলার অন্য বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নেমেছে। ঈদের দিন থেকেই লোকজনের সমাগম শুরু হয়েছে এসব বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে। এখনো কয়েকদিন চলবে। মেহেরপুরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরদের কোলাহলে মুখর হয়ে উঠেছে এসব স্থান।

ঐতিহাসিক মুজিবনগরে ঘুরতে আসেন পার্শ্ববর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার আরমান আলী এবং তার স্ত্রী নাসরিন সুলতানা। তারা জানান, ঈদের ছুটিতে ঘোরাঘুরি করতে এসেছেন। এখানকার স্থাপনাগুলো দেখে ভালো লেগেছে বলেও জানান তারা।

Advertisement

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে ফরহাদ হোসেন, আলম হোসেন, নাহিদ হাসান, সাজিদ রহমানসহ প্রায় অর্ধশতাধিক যুবক ঘুরতে আসেন ঐতিহাসিক মুজিবনগরে। তারা জানান, প্রতিবারই এখানে ঘুরতে আসেন। আম্রকাননের ছায়ায় ঘুরতে তাদের বেশ ভালো লাগে। এছাড়া এখানে মহান স্বাধীনতার স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনাগুলো তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার থেকে আবু সালেহ ঈদের ছুটিতে তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে আসেন মেহেরপুরের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে। তিনি মুজিবনগর ছাড়াও আমঝুপি নীলকুঠি ও গাংনীর ভাটপাড়া ডিসি ইকোপার্ক ঘুরেছেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে।

মুজিবনগরের আম্রকানন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা কমপ্লেক্সে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ভিত্তিক বাংলাদেশের মানচিত্র, স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন ম্যুরাল, সরকারি শিশু পরিবার, ছয়স্তর বিশিষ্ট গোলাপ বাগান, শাপলা চত্বরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।

ঈদ-পরবর্তী অতিরিক্ত লোক সমাগমের কারণে যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনারোধে অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য এখানে নজরদারি করছে মুজিবনগর থানা পুলিশ।

গাংনী উপজেলা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ভাটপাড়া ডিসি ইকোপার্ক। আমঝুপি নীলকুঠিও সেজেছে নতুন রূপে। এখানে দর্শনার্থীদের জন্য নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য রয়েছে বিনোদনের নানা উপকরণ।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান বলেন, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান বলেন, বৈশ্বিক মহামারি কেটে যাওয়ার পর মানুষের মাঝে নতুন আমেজ তৈরি হয়েছে। ক্রয় ক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি মানুষ বিনোদন পিপাসু হয়ে উঠেছেন। এবার মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!