নিহত হাসিবুর চরঝামা গ্রামের আবু সাইদ শেখের ছেলে ও ঝামা মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে প্রতিদিনের মতো চরঝামা স্কুল মাঠে স্থানীয় শিশু-কিশোররা ফুটবল খেলছিল। এ সময় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
.png)
নিহতের চাাচতো ভাই মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। এছাড়াও ওই গ্রামের ইউসুফ মিয়ার সঙ্গে আমাদের পূর্বশত্রুতা ছিল। ফুটবল খেলা নিয়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা হাসিবুরকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। পরে তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. শরিফুল ইসলাম শুভ বলেন, হাসিবুরকে রাত ৮টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। কিন্তু আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।
বোয়ালমারী থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, মরদেহ আমাদের অধীনে আছে। মহম্মদপুর থানার সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। যদি তারা মরদেহ নিতে চায় তাহলে দিয়ে দেওয়া হবে।
মহম্মদপুর থানার ওসি ইকরামুল হোসেন বলেন, চরঝামা গ্রামটি মহম্মদপুর থানার অধীনে হলেও এলাকাটি দুর্গম। মধুমতী নদীর ওপারে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার স্থলভূমির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।