নিহত শওকত আলী মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চক গ্রামের হাসান আলী সোনার ছেলে। তিনি ব্রয়লার মুরগির ব্যবসা করতেন।
দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লিপসনের সঙ্গে মারুফের বিরোধ চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার রাতে চক গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন রামদা, ছুরি, অস্ত্রসহ লাঠি নিয়ে মারুফের চাচা শওকত আলীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বাবুল, মারুফ, মাছুম আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
.png)
নিহতের স্বজনরা বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লিপসনের লোকজন রামদা, ছুরি, অস্ত্র নিয়ে হামলা করে শওকতকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বলেন, শত্রুতার জেরে লিপসনের লোকজন হামলা চালিয়ে মারুফের পক্ষের শওকত আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে। তাদের মধ্যে বহুদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিপসনের লোকজন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না।
মিরপুর থানার ওসি গোলাম মস্তফা বলেন, দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বেশ আগে থেকেই লিপসন ও মারুফ গ্রুপের মধ্যে কোন্দল চলছিল। লিপসনের লোকজন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শওকত আলীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে জানা যায়। লাশ মর্গে রয়েছে।