রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এর আগে, শনিবার রাতে হালিমকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির বলেন, খুব কৌশলে ওই নারীকে মাদক কারবারি হিসেবে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন হালিম ও তার সহযোগীরা। তবে তদন্তে সত্য ঘটনা উঠে এসেছে। এ ঘটনায় বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)
এজাহার থেকে জানা যায়, উপজেলার ভেলাইন গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম (৩৮)। তার সঙ্গে আট বছর আগে পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার হোসনে আরার বিয়ে হয়। তিন বছর সংসার করার পর এককভাবে তাকে তালাক দেন জাহাঙ্গীর। তালাক দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দেন হোসনে আরা।
এ মামলা থেকে বাঁচতে জাহাঙ্গীর ও তার বন্ধু হালিম, করিম ও করিমের স্ত্রী সমস্যা সমাধান করার জন্য মোবাইল ফোনে কল করে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা থেকে হোসনে আরাকে ঘোড়াঘাটে নিয়ে আসেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ মাদক কারবারি করিমের বাড়িতে আলোচনায় বসে। এ ফাঁকে মাদক ব্যবসায়ী হালিম গ্রুপের সদস্যরা কৌশলে হোসনে আরার ভ্যানিটি ব্যাগে ৪০টি ইয়াবা রাখেন। একই সঙ্গে হালিম থানায় ফোন করে পুলিশকে জানান করিমের বাড়িতে ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছেন।
তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার সন্ধ্যায় হোসনে আরাকে ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। পরে হোসনে আরা নির্দোষ বলে পুলিশের কাছে কান্নাকাটি করেন এবং পুরো ঘটনার বিবরণ দেন। ঘটনা শুনে পুলিশ অধিক তদন্ত শুরু করলে হোসনে আরাকে ফাঁসানোর বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
পরে জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামি করে হালিম, করিম ও করিমের স্ত্রী ছালমা বেগমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করে পুলিশ। তারা সবাই মাদকসম্রাট হালিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিশাল সিন্ডিকেট চালাচ্ছেন।