বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। জি এম এমদাদুল হক মেহেদী নগরীর বানরগাতী এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি বড় বাজারে কাপড়ে ব্যবসা করতেন।
খুলনা রেলওয়ে থানার ওসি মোল্লা খবির আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল আন্তঃনগর সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জোড়াগেট বিশ্বাসপাড়া থেকে তাদের কাছে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর আসে। ট্রেনে কাটা পড়ে তার শরীর চার টুকরো হয়ে যায়। নিহতের ব্যবহৃত ফোনে কল এলে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।
রেলওয়ে থানার এসআই মো. ইদ্রিস বলেন, নিহত ব্যক্তি বড় বাজারের একজন কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবারের মাধ্যমে জানতে পারলাম তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। এই চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
.png)
নিহত মেহেদীর মামা নজমুল হক বলেন, বেলা সোয়া ১১টার দিকে বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে দোকানের উদ্দেশ্যে রওনা হয় মেহেদী। সারা দিন তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিকেল ৫টার দিকে তার ব্যবহৃত ফোনে কল দেওয়া হলে বিপরীত দিক থেকে জানানো হয় রেললাইনের ওপর তার ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে আছে। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে তিনিও ঋণের কথা বলেন।
এদিকে পুলিশ নিহত মেহেদীর মরদেহের কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। সেখানে কী লেখা আছে তা প্রকাশ করেনি পুলিশ। মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।