বুধবার উপজেলার পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রেমিক রাজিব চরপাড়া গ্রামের দোলাল প্রামাণিকের ছেলে। আর প্রেমিকা ওই গ্রামের হেলাল প্রামাণিকের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।
স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে ফাঁকা বাড়িতে প্রেমিককে ডেকে নেন ওই গৃহবধূ। এর মধ্যে গৃহবধূর স্বামী বাড়িতে এসে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম দুইজনকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান।
.png)
সেখানে সালিশ বৈঠকে ওই গৃহবধূ বলেন, রাজিবের সঙ্গে তার চার বছর আগে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাজিব তাকে বিয়ে করবেন আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে মাঝে মাঝেই আমার বাড়িতে আসতেন রাজিব। এদিকে, ওই বৈঠকে গৃহবধূ আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে পরকীয়া প্রেমিক রাজীবের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়।
ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মু. ফয়সাল বিন আহসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু গৃহবধূর কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।