এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খুমেকে সাড়াশি অভিযান চালায় র্যাব-৬ ও খুলনা জেলা প্রশাসন।
র্যাবের অভিযানে ৩২ দালাল ও বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিকে আটক করা হয়। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে জেল জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে র্যাবের পরিচালক লে. কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
.png)
জানা যায়, সকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত দালাল চক্র ঘিরে থাকে খুমেক হাসপাতাল। চিকিৎসক, কর্মচারী ও দালালদের সমন্বয়ে হাসপাতালে তৈরি হয়েছে একাধিক সিন্ডিকেট। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে রোগীদের কাছ থেকে।
তারা বলেন, সরকারি এ হাসপাতালে ওষুধ-পথ্যসহ অপারেশন সামগ্রীর কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়। এতে রোগীরা চিকিৎসক, কর্মচারী ও দালালদের মাধ্যমে হাসপাতালের আশপাশে তাদেরই নিয়ন্ত্রণে থাকা ক্লিনিকে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রোগীর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে পছন্দের প্যাথলজি কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা।
খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী বলেন, খুলনা মেডিকেলে রোগী আসলে দালালরা তাদের ভালো ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাইরের ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতালের অভ্যন্তরে পাওয়া যায়। এদের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছিল। রোগীরা হচ্ছিলেন প্রতারিত। এসব অপরাধের কারণে গ্রেফতার ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও ১৪ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। দুইজনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।