সোমবার ভোরে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউপির বয়ড়া পরানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এদিকে, স্বামী শফিকুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, ১০ বছর আগে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে পারভীন বেগমের বিয়ে হয়। তাদের পরিবারে একটি কন্যা সন্তান ও ছেলে সন্তান রয়েছে। কয়েক মাস আগে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী পারভীন স্বামীর বাড়ি ছেড়ে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। সম্প্রতি শেরপুর পৌর শহরের আল বারাকা প্রাইভেট হাসপাতালে পারভীন আয়ার কাজ শুরু করেন।
.png)
রোববার রাতে শফিকুল তার শ্বশুরবাড়িতে আসেন। ভোররাতে ঘুমন্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর নিজে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সকালে তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে শাশুড়ি জামেলা বেগম ঘরে উঁকি দিয়ে পারভীনের মরদেহ মেঝেতে ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হওয়া অবস্থায় শফিকুলকে দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে বাড়ির অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসেন এবং সদর থানায় খবর দেন।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ও সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পারভীনের মরদেহ মর্গে এবং শফিকুল ইসলামকে চিকিৎসার জন্য পুলিশ হেফাজতে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান তারা।
সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।