বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা চরফকিরা ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে, রোববার এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে চারজনকে আসামিকে করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তার খালার বাসায় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। অভিযুক্ত আশিকুর রহমান আশিক মালয়েশিয়া প্রবাসী। চার বছর আগে আশিকের মা-বাবা ভুক্তভোগী তরুণীসহ তার পরিবারকে জানায় তাদের ছেলে মালয়েশিয়া একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। তাকে ঐ মেয়ের কাছ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সাহায্য করতে হবে। তখন তরুণী তাদের কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তার মা-বাবার মাধ্যমে তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ শুরু করেন।
.png)
একপর্যায়ে আশিক তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তরুণী রাজি হন। গত ১৮ আগস্ট আশিক মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসেন। এরপর গত ২৩ আগস্ট রাত ১১টার দিকে ঐ তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এর কয়েকদিন পর তার খালার বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দুইদিন তাকে ধর্ষণ করেন। ঐ তরুণী বিয়ের জন্য বললে আশিক বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাদেকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে অভিযুক্ত যুবকসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। ঐ মামলায় বুধবার সকালে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। একইদিন দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।