বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্বাস। এর আগে বুধবার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-৪ এর বিচারক মো. জামিউল হায়দারের আদালতে মামলাটি করেন ওই প্রেমিকা। এ সময় মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
জানা যায়, ফেনীতে পরিবারের সঙ্গে থাকেন ওই প্রেমিকা। সমাজসেবামূলক সংগঠন ‘লায়ন ক্লাবে’ যুক্ত থাকার সূত্র ধরে আসিফের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় তার। পরে ২০২০ সালে রমজানের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর থেকে আসিফ ভুক্তভোগী তরুণীকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। আসিফ তরুণীর মাকেও ফোন করতেন। একই সঙ্গে মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেন। এছাড়াও নিজের মায়ের সঙ্গেও মোবাইলে ঐ তরুণীকে কথা বলিয়ে দিতেন। পরে ৩ সেপ্টেম্বর মায়ের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে ওই তরুণীকে চট্টগ্রাম আসতে বলেন।
.png)
এদিকে ঐ তরুণী চট্টগ্রামে এলে অক্সিজেন নয়াহাট এলাকায় এক রাজনৈতিক বন্ধুর বাসায় নিয়ে যান আসিফ। পরে সেখানেই তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার চিৎকারে পালিয়ে যান আসিফ। পরে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ঐ তরুণী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-৪ এ মামলাটি করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্বাস জানান, এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগী তরুণী আদালতে একটি মামলা করেছেন। মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।