রোববার বিকেলে মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহর আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আসামি বাচ্ছু মিয়াকে মেহেরপুর জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। বাচ্ছু মিয়া মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।
এর আগে, গাংনী উপজেলার রাধাগোবিন্দপুর ধলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে অটোরিকশা চালক জামাল উদ্দীন হত্যা মামলায় বাচ্ছু মিয়াকে কুষ্টিয়া থেকে আটক করে মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও সদর থানা পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তিতে কুষ্টিয়ার বাঁশগ্রামে অভিযান চালিয়ে জামাল উদ্দীনের চুরি হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় অটোরিকশা বিক্রির এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
.png)
মেহেরপুর কোর্ট পরিদর্শক প্রভাষ ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি রেকর্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেন। একটি সূত্র দাবি করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে বাচ্ছু মিয়া তার দোষ স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গাংনী উপজেলার রাধাগোবিন্দপুর ধলা গ্রামের অটোরিকশা চালক জামাল উদ্দীনকে মেহেরপুর শহরতলির ময়ামারি মাঠের লিচু বাগানের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার গাড়িটি নিয়ে যান বাচ্ছু মিয়া। এ ঘটনায় নিহত জামাল উদ্দীনের ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার পার হতেই পুলিশ উন্নত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘাতককে শনাক্ত করে কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর এলাকায় তার বোনোর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে।