রোববার রাতে ভুক্তভোগী ঐ শিশুর মা বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় অভিযুক্ত ভ্যানচালক ওমর আলীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করন। পরে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিদ্দিকনগর এলাকা থেকে ওমর আলীকে গ্রেফতার করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ। অভিযুক্ত ভ্যানচালক ওমর আলী লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কুমারপাড়া এলাকার হায়দার আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিদ্দিকনগর এলাকায় বসবাস করছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির মা রোববার সকালে তাকেসহ তার অসুস্থ নানিকে দেখতে নানার বাড়িতে যান। নানার বাড়ির পাশে ভ্যানচালকের বাড়ি হওয়ায় তার বাড়িতে সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী শিশুসহ তার বড় বোন ও ওমর আলীর মেয়ে খেলা করছিল। এ সময় ওমর আলী ঐ শিশুটির বড় বোন ও তার মেয়েকে সিগারেট কেনার জন্য কৌশলে পাঠিয়ে দিয়ে তাকে জোর করে ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ঐ শিশুটির চিৎকারে ওমর আলীর বাড়িতে তার মা ও নানার বাড়ির লোকজন ছুটে যান। এ সময় ওমর আলী লোকজনের উপস্থিতি দেখে তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে শিশুটি তার মাকে ঘটনার বিস্তারিত বলে।
.png)
শিশুটির মা রোববার রাতেই ওমর আলীর বিরুদ্ধে থানায় নারী ও শিশু দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঐ রাতেই ওমর আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার সকালে ওমর আলীকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি আবু সাঈদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর রোববার রাতে ঐ শিশুর মা ওমর আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে ওমর আলীকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার সকালে ওমর আলীকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।