এ জেলায় সবচেয়ে বড় মাছঘাট বড় স্টেশন। ঘাটটির দূরত্ব চাঁদপুর শহর থেকে আধা কিলোমিটার দূরে। এখানেই ডিমওয়ালা মাছ বেশি আসে। ফিশিংবোটে আসা মাছের ডিম সংরক্ষণ করা সম্ভব না হলেও হাতিয়ার ইলিশের ডিম সংরক্ষণ করা হচ্ছে। আর হাতিয়ার ইলিশের ডিম সবচেয়ে ভালো বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর পর্যাপ্ত ইলিশ না থাকায় টার্গেট পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। সামনে ইলিশ বাড়লে কিছু টাকা বাড়তি আয় হবে বলে আশা করেন তারা।
.png)
তারা আরো জানান, ডিম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে তৃতীয় সারির ইলিশই প্রথম পছন্দ তাদের। যে ইলিশ একটু নরম হয়ে যায় মূলত সেসবের ডিম সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়া এসব মাছ লবণ দিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় এক বছর সংরক্ষণ করা হয়। পরে পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তবে মাছ নরম হলেও তরতাজা থাকে ডিম।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির তথ্যমতে, গত বছর প্রতিদিন প্রতিটি আড়তে ১৫০-২০০ কেজি ইলিশের ডিম সংগ্রহ করা সম্ভব হতো। কিন্তু এবার গড়ে ৪০-৫০ কেজি ডিমও সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। চাহিদা থাকলেও ইলিশের ডিম সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্বাভাবিকের তুলনায় ইলিশের ডিমের দাম কিছুটা বেড়েছে।