ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বিয়েবাড়িতে যৌন হয়রানি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:২৯, ১২ অক্টোবর ২০২২
বিয়েবাড়িতে যৌন হয়রানি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের
ফাইল ছবি

বিয়েবাড়িতে চলছে বউভাতের আয়োজন। ওই সময় এক স্কুলছাত্রীকে দুই কিশোর যৌন হয়রানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযোগে দুই কিশোরকে ধরে ফেলেন বিয়েবাড়ির লোকজন। পরে তাদের চড়-থাপ্পড় দিয়ে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাদের অভিভাবকদেরও খরব দেওয়া হয়। পরে অভিভাবকরা মুচলেকা ও জরিমানা দিয়ে দুই কিশোরকে ছাড়িয়ে নেন। এরই জেরে বাধে সংঘর্ষ। এতে আহত হন সাজেদুর রহমানসহ ১০ জন। মঙ্গলবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বুধবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম। নিহত ব্যক্তি উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বিলবাড়ি গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে সাজেদুর রহমান।

জানা গেছে, গত ৬ অক্টোবর বারইপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলের বিয়েতে বউভাতের আয়োজন করা হয়। পরে বিয়েবাড়িতে এক স্কুলছাত্রীকে দুই কিশোর যৌন হয়রানি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিয়েবাড়ির লোকজন যৌন হয়রানির সঙ্গে জড়িত দুই কিশোরকে ধরে ফেলেন। পরে তাদের চড়-থাপ্পড় দিয়ে আটকে রেখে অভিভাবকদের সংবাদ দেওয়া হয়। তবে একই দিন রাতে অভিভাবকরা মুচলেকা ও জরিমানা দিয়ে দুই কিশোরকে ছাড়িয়ে আনেন।

Advertisement

এদিকে দুই কিশোরকে শাস্তি দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত বারইপাড়া গ্রামের আকাশ হোসেন নামে এক যুবককে ৯ অক্টোবর বাইগাছা এলাকায় বখাটেরা মারধর করেন। এ ঘটনার জেরে সোমবার দুপুরে উপজেলার রাঘোপাড়া এলাকায় দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাজেদুরসহ উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে মঙ্গলবার রাতে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাজেদুর।

ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে বাগমারা থানার ওসি মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, সাজেদুর শরীর ও মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন সাজেদুরের পরিবার। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!