গোপালগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি
গোপালগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ হচ্ছে। বৃষ্টির সঙ্গে হালকা দমকা হাওয়া রয়েছে। মধুমতি নদী ও মধুমতি বিল রুট চ্যানেলে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে তা বিপদ সীমার ৯৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রোববার রাত থেকে জেলা জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন জেলায় মোট ৬০ হাজার লোকের জন্য জরুরি ত্রাণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া নয়টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, দ্বিতল বিশিষ্ট ২১২টি স্কুল আশ্রয় কেন্দ্র, জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৫ মেট্রিক টন চাল, জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য নগদ পাঁচ লাখ টাকা, জরুরি শুকনো খাবার সরবরাহের জন্য এক হাজার কার্টুন শুকনো খাবার, ৩০০ কার্টুন মিষ্টি বিস্কুট, ৪০০ কার্টুন ডায়াবেটিক বিস্কুট প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা।
এরই মধ্যে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, জেলায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কোটালীপাড়ায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়া যেকোনো পরিস্থিতিতে সার্বিক সহযোগিতার জন্য কন্ট্রোল রুমের (মোবাইল- ০১৭০০৭১৬৭৮৮) সঙ্গে যোগাযোগের জন্য হটলাইন সেবা চালু করা হয়েছে।
.png)
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সিত্রাংয়ের প্রভাবে মধুমতি নদী ও মধুমতি বিল রুট চ্যানেলে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া পয়েন্টে বিপদ সীমার ৯৭ সেন্টিমিটার এবং হরিদাসপুর পয়েন্টে ১২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।