বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সকাল সাড়ে ৮টা থেকে জাহাজগুলো ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়। বহির্নোঙর থেকে জিসিবি, এনসিটি, সিসিটিসহ বিভিন্ন বার্থে জাহাজ ভিড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ কাজে বন্দরের সাতটি টাগবোট সহায়তা করছে। তাছাড়া সকাল আটটা থেকে পণ্য ডেলিভারি কার্যক্রম শুরুর পাশাপাশি বন্দরে জাহাজ ভিড়তে শুরু করেছে। কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
.png)
এর আগে, সোমবার ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আশঙ্কায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এনসিটি, সিসিটির সব জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেয় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বন্দর চ্যানেল থেকে সব লাইটার জাহাজও সরিয়ে নেয়া হয়। বন্দরের পক্ষ থেকে চালু করা হয় কন্ট্রোল রুম। আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্কতা সংকেত অনুযায়ী বন্দরের নিজস্ব অ্যালার্ট-৩ জারি করা হয়। বন্ধ করা হয় জাহাজ থেকে পণ্য, কনটেইনার লোড-আনলোড কার্যক্রম। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় বন্দরের ভেতরের পণ্য খালাস কার্যক্রমও বন্ধ করে দেওয়া হয়।