সেন্টমার্টিন ইউপি সদস্য সৈয়দ আলম বলেন, স্বাভাবিকের চেয়ে সমুদ্রের পানি৭-৮ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফলে দ্বীপের অধিকাংশ জায়গায় পানি প্রবেশ করেছে। তবে এমন পানি আগে কখনো দেখেনি দ্বীপবাসী। লোকজন বাড়িতে ফিরছে। দ্বীপে বেশকিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দ্বীপের চারদিকে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
শাহপরীর দ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুস সালাম বলেন, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তার এলাকার নাফ নদের তীরে শতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। এছাড়া দ্বীপের আরো দুটি গ্রামে অর্ধশতাধিক ঘরের টিন-চাল উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেড়িবাঁধও।
.png)

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ এরফানুলক হক চৌধুরী বলেন, সিত্রাং আতঙ্কে সোমবার টেকনাফ উপজেলার ১৫ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিলেন। পানি নেমে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরছেন তারা।
তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে সেন্টমার্টিন-শাহপরীরদ্বীপে বেশকিছু ঘরবাড়ি-রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আপাতত শতাধিকের বেশি ঘরবাড়ি ভাঙার হিসাব পাওয়া গেছে। জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সব জায়গা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত তথ্য নেয়া হচ্ছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে বলে জানান তিনি।