এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার ওসি মজিবর রহমান।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বাহাদুর কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের বাবুল সরদারের ছেলে। তিনি পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তার বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলায় ও একটি মারামারি মামলা রয়েছে। মাদক মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত।
.png)
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট বিকেলের দিকে দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে আসামি বাহাদুরের কাছে থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সেদিনই তার বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা হয়।
আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম। ৮ সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে মাদক আইনে গত ১৮ জুলাই বাহাদুরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম। সেই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার দিন তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এতোদিন পলাতক ছিলেন আসামি বাহাদুর।
দৌলতপুর থানার ওসি মজিবর রহমান বলেন, মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বাহাদুরকে র্যাব-৩ এর অভিযানিক দল আশুলিয়া এলাকা থেকে বুধবার রাতে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় চারটি মাদক মামলা ও একটি মারামারির মামলা রয়েছে। বাহাদুর দুটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।