চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী ধর্ষণচেষ্টা, চালকের ৫ বছরের কারাদণ্ড
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী ধর্ষণচেষ্টা মামলায় বাসচালক শহীদ মিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন। মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন হেলপার রশিদ মিয়া ও কন্টাকটার আবু বকর। দণ্ডপ্রাপ্ত শহীদ মিয়া সিলেটের জালালবাদ থানার মোগলগাঁও ইউপির মোল্লারগাঁও গ্রামের তৌফিক মিয়ার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নান্টু রায়।
.png)
জানা যায়, ২০২০ সালের ২৬ ডিসেম্বর সিলেটের লামাকাজী থেকে দিরাইয়ে যাচ্ছিলেন ওই কলেজছাত্রী। বাসটি দিরাই পৌরসভার সুজানগর গ্রামের পাশে এসে অন্য যাত্রীরা নেমে যান। ওই সময় একা হয়ে যান ওই ছাত্রী। একপর্যায়ে চালক ও হেলপার কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতে চলন্ত বাস থেকেই লাফিয়ে পড়েন ওই ছাত্রী। স্থানীয়রা তাকে সড়কের পাশ থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দিরাই হাসপাতালে নেন। মাথায় গুরুতর আঘাত পেলে তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। পরে বাসটি জব্দ করে পুলিশ।
ওইদিন রাতেই বাসচালক শহীদ মিয়া ও হেলপার রশিদ আহমদসহ তিনজনকে আসামি করে দিরাই থানায় মামলা করেন ছাত্রীর বাবা। ওই ছাত্রী সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় শহীদ মিয়াকে সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্টেশন থেকে গ্রেফতার করে সিআইডি পুলিশ।