ঘটনাটি রাজশাহীর পুঠিয়ার। প্রান্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের প্রায় আট মাস তার মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রান্তি আত্মহত্যা করেননি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে বুধবার সকালে প্রান্তির বাবা হাসানুজ্জামান বাবু , মা নাসরিন বেগম ও ভাই নাসিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা সদরের গণ্ডগোহালী গ্রামের বাসিন্দা।
পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, প্রান্তির ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- আত্মহত্যা নয়, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ওই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রান্তির ভাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। তবে এখনো তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
.png)
ওসি বলেন, গ্রেফতাররা বলছেন তাদের মেয়েটি বড় হওয়ার পর থেকেই উগ্র জীবনযাপন করতেন। এ কারণে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করেন। এর একপর্যায়ে মেয়েটি মারা যান। এরপর তার মরদেহ বাইরের আমগাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়। যেন সবাই ভাবে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ৬ মার্চ প্রাপ্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ওই সময় এ ঘটনায় পুঠিয়া থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করেছিল পুলিশ।