ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

সোনা দেখিয়ে লাখ টাকা গায়েব, ১৫ দিন পর পেলেন ছিনতাইকারীর দেখা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:০৭, ১০ নভেম্বর ২০২২
সোনা দেখিয়ে লাখ টাকা গায়েব, ১৫ দিন পর পেলেন ছিনতাইকারীর দেখা
ছিনতাইকারী রুবেলকে ধরে পুলিশে দেন ঝর্ণা

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে এক লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ১৫ দিন পর অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে ধরেছেন ঝর্ণা আক্তার নামে এক নারী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার রামগোপালপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে ধরে পুলিশে দেন তিনি। ঝর্ণা রামগোপালপু পোম্বাইল গ্রামের মোস্তফা মিয়ার স্ত্রী। আটকের নাম রুবেল মিয়া। রুবেলের বাড়ি গৌরীপুরের মগটুল ইউনিয়নের বৈরাঢি গ্রামে। তিনি মিলন মিয়ার ছেলে।

ঝর্ণা আক্তার বলেন, ১৫ দিন আগে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে আমাকে ত্রিশাল আসার জন্য গাড়িতে তুলে দেন ছোট মেয়ের জামাই। ত্রিশালে গাড়ি থেকে নামার পর গাড়ি খুঁজছিলাম। এ সময় কোথায় যাবেন বলে আমাকে জিজ্ঞেস করেন এক অটোচালক। কানুরামপুরে যাবো বললে ৫০ টাকা ভাড়া ঠিক করে অটোরিকশায় উঠি। অটোযাত্রী হিসেবে রুবেলও ছিলেন। কিছু দূর গিয়ে আরো দুই যাত্রী তোলেন চালক। এরপর আরো দুই যাত্রী তোলা হয়।

Advertisement

এ সময় এক যাত্রী বলে ওঠেন, ‘ড্রাইভার ভাই, থামেন। টাকার ব্যাগ পাওয়া গেছে’। টাকার ব্যাগটি তুলে ওই যাত্রী জানান, ব্যাগে বিদেশি টাকা ও সোনার বার রয়েছে। পরে অটো থেকে নেমে রুবেল বলেন, ‘আপনি তো বিদেশি টাকা ও সোনার বার পেয়েছেন। এসবের দাম হবে দেড় লাখ টাকা’।

এসব দেখে রুবেল বলেন, ‘আমার কাছে টাকা থাকলে এসব কিনে নিতাম’। পরে ঝর্ণাকে এসব দেখিয়ে কেনার জন্য বলেন। তবে টাকা নেই বলে জানান ঝর্ণা। এরপর ঝর্ণাকে অজ্ঞান করে এক লাখ টাকা নিয়ে যান রুবেল ও তার সহকারীরা।

ঝর্ণা বলেন, ঘটনার ১৫ দিন পর রামগোপালপুর বাসস্ট্যান্ডে এসে রুবেলকে দেখেই আমি চিনে ফেলি। পরে তাকে ধরে চিৎকার করলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। এরপর রুবেলকে আটক করে পুলিশ।

গৌরীপুর থানার এসআই মো. ইনছান বলেন, ছিনতাইকারীকে ধরে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!