শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত উজ্জ্বল শেখ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকার রহমত শেখের ছেলে।
জানা যায়, ২০০৭ সালের ১১ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাঠে সেচ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামিরা হাঁসুয়া, ছোরা ও রামদা দিয়ে রেজাউলকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনার পরদিন নিহতের মামা আফিল উদ্দিন বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত এ মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। নির্ধারিত তারিখে আদালতের বিচারক রেজাউলকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে আপন পাঁচ ভাইকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে তাদেরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
.png)
গত ৩১ অক্টোবর দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রাম এলাকার রহমত শেখের ছেলে উজ্জ্বল, সেজ্জাদ প্রকাশ সুজাত, সুজন, গফুর ও জালাল। রায় ঘোষণার সময় আসামি গফুর ও জালাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই তাদেরকে পুলিশ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক উজ্জ্বলকে র্যাব গ্রেফতার করেছে। অপর আসামি সুজাত ও সুজন পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর সাত আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।