জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ২৮ অক্টোবর বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিলহামলা গ্রামে এক চাতালের নৈশপ্রহরী আব্দুল জব্বারকে হত্যা করা হয়। ওই চাতালে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এ মামলার তদন্ত শেষে ছয়জনের নামে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।
বুধবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক রুবাইয়া ইয়াছমিন ওই মামলার রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে চারজন আসামি উপস্থিত ছিলেন। বাকি দু’জন পলাতক আছেন।
.png)
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন সাইফুল আলম, গোলজার রহমান, আফজাল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, আলম ফকির ও আছিয়া বেগম। তাদের মধ্যে আলম ফকির ও আছমা বেগম পলাতক আছেন।
আদালতের আরেক রায়ে বগুড়ার কাহালু উপজেলায় কৃষক মজিবর রহমানকে হত্যার দায়ে তসলিম উদ্দিন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
এ রায় ঘোষণা করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মুহাম্মাদ কামরুল হাসান। রায় ঘোষণার সময় আসামি তসলিম উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নির্দোষ প্রমাণ হওয়ায় এ মামলার ১৫ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের ৮ আগস্ট কাহালু উপজেলার লক্ষীমণ্ডপ গ্রামে মজিবর রহমানকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ মামলায় ১৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলা চলাকালীন এ মামলার দুজন আসামি মারা যান।
এপিপি বিনয় কুমার বিশু বলেন, রায় ঘোষণা শেষে উপস্থিত থাকা সাজাপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।