ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় পুল খেলা নিয়ে হত্যা, চাকুসহ গ্রেফতার ৫

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩১, ১২ নভেম্বর ২০২২
বগুড়ায় পুল খেলা নিয়ে হত্যা, চাকুসহ গ্রেফতার ৫
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়ায় বিলিয়ার্ড (পুল) খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতের জুনায়েদ আল-হাবিব বিপুল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা বিপুলকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের দাবি।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত হত্যা মামলায় তাদেরকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে হত্যাকাণ্ডের পরপরই জড়িতদের ধরতে অভিযান শুরু করা হয়।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত চলা অভিযানে বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান বগুড়া সদর থানার তদন্ত (পরির্শক) বাবু কুমার সাহা। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের হেফাজতে থাকা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বগুড়া সদরের শিববাটি এলাকার ১৯ বছরের দীপংকর রায়, নামাজগড় ভূষিপট্টি এলাকার ৩২ বছরের আরিফ হাসান, দক্ষিণ কাটনারপাড়া এলাকার ২৭ বছরের শাকি আল মামুন, ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়ার ২২ বছরের শোহাইব নবী ও শিববাটি এলাকার ২০ বছরের সাহিল।

এর আগে, শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সদরের নামাজগড় এলাকায় ছুরিকাঘাতের শিকার হন বিপুল। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ছিলিমপুর (মেডিকেল) পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রকিবুল হাসান।

নিহত ২১ বছরের বিপুল সদরের বাদুরতলা এলাকার মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর শনিবার সকালে নিহতের ভাই শামীম বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরো ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

বগুড়া সদর পরিদর্শক (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা জানান, সদরের নামাজগড় এলাকায় তালুকদার মতি ম্যানশনের চতুর্থ তলায় ব্রেক অ্যান্ড রান নামের প্রতিষ্ঠানে পুল খেলার জন্য যান বিপুলসহ তার বন্ধুরা। ওই সময় অভিযুক্তরা পুল খেলছিলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকার একপর্যায়ে অভিযুক্তদের পুলের বোর্ড ছেড়ে দিতে বলেন বিপুল। এতে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হন। তখনই অভিযুক্তদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বিপুল।

একপর্যায়ে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাতের শিকার হন বিপুল। এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা বিপুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিপুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযান অব্যাহত আছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!