রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত ২৬ বছর বয়সী ফাহিম বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক। তিনি শজিমেকের এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় শজিমেক হাসপাতালের সামনে লিংক রোডে ছুরিকাঘাতের শিকার হন ফাহিম। বাগ্বিতণ্ডার জেরে এক ভাজাপোড়া খাবার বিক্রেতা তাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনার পরপরই দুইজনকে গ্রেফতার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় ঐ চিকিৎসককে আঘাতের ঘটনায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরি। গ্রেফতার হওয়া দুইজন বাবা-ছেলে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বগুড়া সদরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকার ফরিদ বেপারী এবং তার ছেলে শাকিল বেপারী। ঘটনার পরপরই ফরিদকে সদর উপজেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আর শাকিলকে সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজতে থাকা ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফরিদ বেপারীর ছেলে শাকিল ইন্টার্ন চিকিৎসককে ছুরিকাঘাত করেন।
.png)
জানা যায়, শজিমেক হাসপাতালের সামনে ভাজাপোড়া খাবার বিক্রি করেন ফরিদ ও তার ছেলে শাকিল। গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের কাছ থেকে ভাজাপোড়া কিনে খাচ্ছিলেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ফাহিম। এ সময় ফাহিম ঐ বাবা-ছেলের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এ সময় শাকিল পেঁয়াজ কাটা ছুরি দিয়ে ফাহিমকে আঘাত করেন। পরে ফাহিমকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নেন সেখানে থাকা লোকজন।
শজিমেক হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. রেজাউল আলম জুয়েল বলেন, গত ২৮ নভেম্বর ফাহিমকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।