বিজয়নগরে ডাকাতির মালামালসহ ৫ ডাকাত গ্রেফতার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ডাকাতির ঘটনায় যৌথ অভিযানে ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে বিজয়নগর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা। এ সময় ডাকাতদের থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার ডাকাতরা হলেন, এমদাদুল হক মিলন ওরফে রিপন (৩৪) জেলার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউপির চাঁনপুর গ্রামের আবু জাহেরের ছেলে, একই উপজেলার হরষপুর ইউপির বাগদিয়া গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে মো. চুন্নু মিয়া ওরফে চুইন্না (৩০), একই উপজেলার পাহাড়পুর ইউপির দাড়িয়াপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. জাফর মিয়া (২৭), একই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে শুক্কুর আলী (৩৫) ও হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউপির মানিকপুর গ্রামের ডুগাই মিয়ার ছেলে মো. জালাল মিয়া ওরফে জালাল ডাকাত (৩০)।
রোববার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
.png)
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি মাসের ২১ ডিসেম্বর জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউপির আড়িয়াল গ্রামের কুয়েত প্রবাসী মো. মোশারফের বাড়িতে মধ্যরাতে ডাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাত দল ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের বেঁধে ফেলে। পরে ডাকাতরা ৭টি মোবাইল, ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
পরদিন ২২ ডিসেম্বর প্রবাসী মোশারফ অজ্ঞাত ১৩-১৪ জনের বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত বিজয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকারের ওপর অর্পণ করা হয়। পরে এসপি মোহাম্মাদ শাখাওয়াত হোসেনের নির্দেশে ডাকাতি মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে বিজয়নগর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২৪ ডিসেম্বর রাতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকায় বিজয়নগর উপজেলা থেকে ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা থেকে ১ জন ও হবিগঞ্জ জেলা থেকে ১ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ডাকাত এমদাদুল হকের কাছ থেকে লুণ্ঠিত নগদ ১০ হাজার টাকা ও একটি ৬ আনা স্বর্ণের চেইন, ডাকাত জালাল মিয়ার কাছ থেকে নগদ সাড়ে ৫ হাজার টাকা, ১টি মোবাইল, ডাকাত চুন্নু মিয়ার কাছ থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
মো. চুন্নু মিয়া ও মো. জালাল মিয়া স্বেচ্ছায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ডাকাতির সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।