বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ রায় দেন কুষ্টিয়া অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম। তবে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না আসামিরা। নিহত রবিউল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার রনজিতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার রাজিতপুর গ্রামের মোকাদ্দেস আলীর দুই ছেলে ফিরোজ ও দেলবার, ফিরোজের ছেলে সবুজ, দেলবারের ছেলে মিজান, একই গ্রামের ইয়ার আলীর ছেলে হোসেন আলী, সদর উপজেলার গজনবীপুর গ্রামের আফিউদ্দিনের ছেলে সাইদুল ইসলাম এবং ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার সিরামপুর গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে হেলাল।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন রবিউল ইসলাম। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামিরা। ঘটনার পরদিন নিহতের শ্বশুর শমসের আলী বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবদুল কুদ্দুস আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর মামলার সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ রায় দেন বিচারক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জজ আদালতদের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী রায়।
তিনি বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে স্কুলশিক্ষককে হত্যা মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তবে আসামিরা পলাতক রয়েছেন। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি গোলাম সরোয়ার ও রোবেল রানাকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।