এদিকে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগীর সংখ্যা। অপরদিকে গরম কাপড়ের অভাবে বিপাকে পড়েছে অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষগুলো। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।
রিকশাচালক জাহিদুল বলেন, শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে রিকশা নিয়ে সকালে কাজে যেতে পারছি না। সংসারে তিনজন সদস্য রয়েছে। আমাকে রিকশা চালিয়ে তাদের চালাতে হয়। খুব বিপাকে পড়েছি আমি।
.png)
কৃষক আব্দুল কাহের বলেন, হিমেল বাতাসের কারণে শীত বেশি। সেইসঙ্গে সূর্যেরও দেখা মিলছে না। বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে দিনাজপুরের হিলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি। এ সময় ৯৩ শতাংশ বাতাসের আর্দ্রতা নির্ধারণ করা হয়েছে।