উপজেলার রায়টা এলাকার পান চাষি আলীম বলেন, এ এলাকায় কবে থেকে পানের আবাদ শুরু হয়েছে জানি না। তবে দাদার আমল থেকে দেখে আসছি। নিজেও চাষ করেছি তবে কম। পান চাষ করে সচ্ছলতার সঙ্গে চলেছি।
কুচিয়ামোড়া গ্রামের জমেলা বেগম বলেন, কয়েক বছর আগে আমার স্বামী মারা গেছেন। পান বিক্রি করেই দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। বড় ছেলে দিনাজপুর হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, মেজ ছেলে গাইবান্ধা সরকারি কলেজে অনার্স পড়ছে এবং ছোট ছেলে এবার এসএসসি দিয়েছে। বসতবাড়িসহ মোট জমি আছে ৪০ শতাংশ। এরমধ্যে ১৭ শতাংশে পান লাগিয়েছি। সপ্তাহে এক গাদি করে পান তোলা যায়। বিক্রি হয় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। তবে বর্ষাকালে আরো বেশি পান তোলা যায়। পান বিক্রির অর্থ দিয়েই সব চলছে।
.png)
আরেক পান চাষি আমির হোসেন বলেন, পানের বরজ থেকে সারা বছরই পান সংগ্রহ করা যায়। তবে শীতকালে তুলনামূলক কম পান উৎপাদন হয়। কারণ শীতকালে পান পাতা বাড়ে কম। এ সময় উৎপাদন কম হলেও বাজারে দাম থাকে বেশি।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সায়খুল ইসলাম বলেন, দিনদিন এ উপজেলায় পান চাষ বাড়ছে। অন্যান্য ফসল আবাদের তুলনায় পান চাষ লাভজনক।