এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরআন্ডা গ্রামে। বিভিন্ন আলামত এবং আল-আমিনের আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আল আমিন চরআন্ডা গ্রামের ইসমাঈল হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের বাজারে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে যায় লামিয়া। ফেরার পথে বিলের মধ্যে তাকে ডেকে নেন অটোচালক আল আমিন হাওলাদার। পরদিন দুপুরে চরআন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি পুকুর পাড় থেকে তার একটি জুতা, কাঁচামরিচ ও শেম্পুসহ বাজারের ব্যাগ এবং খালসংলগ্ন বিলের মাঝে পাওয়া যায় তার ওড়না। এসব উদ্ধারের পর ধর্ষণ এবং হত্যার পর লাশ গুমের সন্দেহ হয় পরিবার ও এলাকাবাসীর।
.png)
স্থানীয়রা আরো জানায়, লামিয়া যেখান থেকে নিখোঁজ হয় সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে আল আমিনের অটো পড়ে ছিল। তাই অটোচালক আল আমিনকে সন্দেহ হয় তাদের। তাকে খুঁজতে শুরু করেন স্থানীয় লোকজন। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে রাত ২টার দিকে আলেকান্দা গ্রাম থেকে আল আমিনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
লামিয়ার বাবা বলেন, আমি সাগরে ছিলাম। মেয়ে নিখোঁজের কথা শুনে বাড়ি আসি। আল আমিন ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে লাশ গাঙে (নদীতে) ফালাইয়া দিছে। আমরা তার ফাঁসি চাই।
শিশু লামিয়ার মামি বলেন, প্রায়ই লামিয়াকে পথঘাটে উত্ত্যক্ত করত আল আমিন। আমরা আল আমিনের ফাঁসি চাই। এ ঘটনায় ওর সঙ্গে যারা জড়িত আছে, তাদেরও ফাঁসি চাই।
রাঙ্গাবালী থানার ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, আল-আমিনকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণ এবং হত্যার কথা স্বীকার করেছে। লাশ গুম করার জন্য নদীতে ফেলার কথাও জানায় সে। ওই শিশুর লাশ উদ্ধারের জন্য অভিযুক্ত আল-আমিনকে নিয়ে নদীতে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে এখনো মিলেনি শিশু লামিয়া লাশ।