শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এ মাছের মেলা শেষ হয় রোববার সকালে। মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ছোটবড় মাছ ওঠে। এতে ৩০টি মৎস্য আড়ত মাছ বিক্রি করে।
জানা যায়, সদর উপজেলার মনোমুখ এলাকার জমিদার মথুরা বাবু ২০০ বছর আগে মনু ও কুশিয়ারা নদীর মিলনস্থলে এ মেলা শুরু করেছিলেন। সেখানেই ১৫০ বছর ধরে চলে এ মেলা। ১৯৭২ সাল থেকে জেলা সদরের ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুরের অদূরে ব্রাহ্মণ গ্রামে কুশিয়ারা নদীর তীরে বসছে এ মেলা। দিনদিন এ মেলার আকার বাড়ছে।
.png)
এ মেলায় বড় পাকা রুই, কাতলা, বাঘাইড়, কালবাউস, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আনেন ব্যবসায়ীরা। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, কুশিয়ারা নদীসহ মৌলভীবাজারের হাকালুকি, হাইল হাওর, কওয়াদিঘী হাওর, সুনামগঞ্জের টাংগুয়ার হাওর এবং দেশের ছোট বড় হাওর থেকে এখানে মাছ আনা হয়।
শামীম মিয়া নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, এবার বাজার জমেছে। বেচাকেনাও ভালো হয়েছে। এবার আমি আট লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।
এ বিষয়ে শেরপুর আড়তের ঠিকাদার তপু ভৌমিক বলেন, এখানে নিলামের মাধ্যমে প্রতি বছর মাছের আড়ত পরিচালনা করা হয়। এবার প্রচুর মাছ উঠেছে। এবার প্রায় পাঁচ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগে গত বর্ষায় বন্যা হওয়ায় সবকটি হাওর-জলাশয়ে মাছ বেড়েছে। মৌলভীবাজার জেলায় গত অর্থবছরে মাছের উৎপাদন হয়েছিল চার হাজার ৫৫২ টন। আশা করা হচ্ছে এবার উৎপাদন আরো বাড়ছে।