মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফস্থ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মো. সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হয়। এ সময় সিরাজুল ইসলামের বাড়ির পেছনে লাকড়ির স্তূপের ভেতর থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নাফ নদীর পাড়ে আল-আমিন নামে একজনকে পাঁচ হাজার টাকার ইয়াবা বিক্রি করেন। আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। ইয়াবা বিক্রির পাঁচ হাজার টাকাসহ দুইটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। আটক ও পলাতক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মাধ্যমে মঙ্গলবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিরাজুল ইসলামকে ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট ২০ হাজার ইয়াবা বহন ও মানবপাচারের দায়ে আটক করা হয়। পরে সিরাজুল ইসলাম গত ২৮ ডিসেম্বর জামিনে মুক্ত হয়ে আবারো ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
.png)