বিয়ের জন্য চাপ দিলে শুরু করেন টালবাহানাও। পরবর্তীতে কৌশলে প্রেমিকার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করে দেন সাজিদ। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রেমিকা। পরে বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে র্যাবের জালে ধরা পড়েন সাজিদ।
বুধবার সন্ধ্যায় র্যাব-৬ এর এএসপি তারেক আমান বান্না এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, রূপসার দেয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা সাজিদ আহম্মেদ হৃদয়। পূর্ব পরিচয় ছিল ভিকটিমের সঙ্গে। বিয়ের প্রলোভন দেখানো হয় ওই ভিকটিমকে। পরবর্তীতে গত এক বছর ধরে বিয়ের কথা বলে সাজিদ তাকে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। আসামি সাজিদ গোপনে কৌশল অবলম্বন করে তাদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু স্থির চিত্র ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে এসব ভিডিও ও স্থিরচিত্র দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। দৈহিক মেলামেশার ফলে ওই ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন তিনি। এরপর টালবাহানা শুরু করেন সাজিদ। কৌশলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গর্ভের ৭ মাসের বাচ্চাকে নষ্ট করে দেন সাজিদ।
তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পরিবারের সদস্যরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে তিনি বাদী হয়ে সাজিদকে আসামি করে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামি গ্রেফতারে র্যাব অভিযান অব্যাহত রাখে।
গোপন সংবাদের মাধ্যমে র্যাব জানতে পারে- আসামি গাজীপুর জেলার টঙ্গি পূর্ব থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। ঢাকা র্যাবের সহায়তায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আসামিকে গ্রেফতার করে র্যাব। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সব স্বীকার করেন তিনি। পরে তাকে রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়।