নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী শিশুর নাম মো. সোয়াদ (৭)। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সানোয়ার হোসেনের ছেলে সোয়াদ।
সোমবার বিকেলে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, শুক্রবার সকালে পরিবারের সবার সঙ্গে খেজুরের কাঁচা রস পান করে শিশু সোয়াদ। রস পানের কয়েক ঘণ্টা পর জ্বর ও খিঁচুনি শুরু হয় তার। একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়ে শিশুটি। ওই বিকেলেই তাকে রামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার বাবা। তাকে ভর্তি করা হয় শিশু ওয়ার্ডে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে শনিবার সকালে তাকে হাসপাতালের শিশু আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটের প্রধান ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, শিশুটির অবস্থার অবনতি হওয়ার পরদিন তাকে সাধারণ ওয়ার্ড থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। তার শরীরের কোনো উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়। পরে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা নিপাহ ভাইরাসের পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
রোববার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তার নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে। এতে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হয়। আর এ কারণেই ওই শিশুর অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। সোমবার সকালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু সোয়াদ মারা যায়।
এর আগে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছিল। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। সোমবার মারা গেল পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শিশু সোয়াদ। এ নিয়ে বছরের শুরুতেই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রামেক হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।