বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহামুদা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওমর ফারুখ খানজাহান আলী থানা এলাকার পাড়িয়ারডাঙ্গা এলাকার রুস্তুম আলী ফারাজীর ছেলে।
.png)
আদালত সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের ৩ বছর পূর্বে আসামি ওমর ফারুখ ও নুপুরের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে হয়। ঘটনার ৩ মাস পূর্বে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ সৃষ্টি হয়। প্রায় ফারুখ তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। বিষয়টি জানতে পেরে নুপুরের বাবা মো. খলিলুর রহমান জামাই-মেয়েকে বাড়িতে ডেকে নেন। জামাইকে কিছু টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পরে মেয়েকে বুঝিয়ে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
২০১৮ সালের ১৭ জুলাই ভোরে লোকজনের মাধ্যমে খলিলুর রহমান জানতে পারেন তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পাশের বাগানে মেয়ের মরদেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে মেয়ের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ দেখে তার সন্দেহ হয়। এ ঘটনায় মেয়ের স্বামী ওমর ফারুখকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আসামি ফারুখকে গ্রেফতার করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খানজাহান আলী থানার এসআই সুমঙ্গল কুমার দাশ ফারুখকে আসামি করে একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালীন ১৪ জনের মধ্যে ১০ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম ইকবাল।