এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরে বাঘের আক্রমণের শিকার হন তিনি। আহত ফজলু গাজীর বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন উত্তর রাজাপুর গ্রামে।
ফজলুর স্ত্রী ফিরোজা বেগম জানান, সুন্দরবনের কাছে তাদের বাড়ি। গত মঙ্গলবার সকালে তাদের একটি গরু ভোলা নদী পেরিয়ে সুন্দরবনে ঢুকে পড়ে। বেলা ১১টার দিকে ওই গরু আনতে গিয়ে বাঘের মুখে পড়েন তার স্বামী।
.png)
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফজলু গাজী বলেন, বনের কিছুটা ভেতরে গিয়ে গরুর দেখা পাই। ফেরার সময় কিছু দৌড়ে আসার শব্দ পাই। সঙ্গে সঙ্গে জোরে চিৎকার করি। ওই খালে দুই নৌকায় ১০-১২ জন জেলেও চিৎকার দিয়ে ছুটে আসেন। কিন্তু এর মধ্যেই বাঘ এসে কামড় দেয়। পরে সবার চিৎকারে আবার বনে চলে যায় বাঘ।
তিনি জানান, বনে প্রবেশের অনুমতি নেয়া হয়নি বলে ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানাননি তিনি। প্রথমে গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেন। পরে বৃহস্পতিবার এক ডাক্তার জেলা হাসপাতালে তাকে ভর্তি হতে বলেন।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, বাঘের কামড়ে আহত ফজলু গাজী তার চেম্বার এসেছিলেন। তার ডান পায়ের ক্ষত অনেক বেশি। পরিবারটি অনেক দরিদ্র, চিকিৎসার ব্যয় মেটানোও তাদের জন্য কঠিন। তাই তাকে ভর্তি করে হাসপাতাল থেকে সব ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার তার পায়ের ক্ষত স্থানে অপারেশন করা হয়েছে।